আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জর্ডানের হাতে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মার্কিন অস্ত্র রয়েছে। সেই অস্ত্র ব্যবহার করেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেই বাহিনীকে পশ্চিম তীরে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না ইসরায়েল।
এর আগে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এই বাহিনীকে প্রশিক্ষণের জন্য জর্ডানকে বেছে নেয় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। প্রশিক্ষণের প্রথম ধাপে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ছয় সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির গতি আরও বাড়ানো হয়েছে।
বিশেষ করে গাজায় সন্ত্রাসবিরোধী ভূমিকায় এই বাহিনীকে পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার অংশীদাররা। গাজা যুদ্ধ বন্ধে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক তৎপরতা বেড়েছে। যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতে সব পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার পাশাপাশি গাজার ভবিষ্যৎ নিয়েও এখন নানা পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন বিশ্বনেতারা।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মিশর ও ফ্রান্সে পৃথক পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মার্কিন, আরব, তুর্কি ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থাপিত ২০ দফা প্রস্তাবেও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এই বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে মিশর ও জর্ডানকে মূল ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।








