পথে প্রান্তরে ডিজিটাল ডেস্ক
বগুড়া জেলা রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন অ্যাডভোকেট শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু। ৩১ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা এবং বগুড়া জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী হিসেবে সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি বগুড়া থেকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের অন্যতম প্রধান মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
পারিবারিক ও ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু ধাপে ধাপে সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। জেলা পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। দলের দুঃসময়ে মাঠে থেকে কর্মীদের সংগঠিত রাখা, নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সামাজিক ইস্যুতে সোচ্চার অবস্থান নেওয়ার কারণে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

আইন পেশায় যুক্ত থাকার কারণে সাংবিধানিক বিষয়, নারী অধিকার ও স্থানীয় শাসন কাঠামো নিয়ে তার সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে তিনি বিগত ১৭ বছর ফাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বারা নির্যাতিত বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে বিনামূল্যে আইনসেবা দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, শিক্ষার প্রসার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে তার নেতৃত্বে একাধিক সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব দিক বিবেচনায় শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানু এগিয়ে রয়েছেন। বগুড়ায় দলের নারী নেত্রীদের মধ্যে তার দীর্ঘদিনের সক্রিয় উপস্থিতি ও ধারাবাহিক সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা তাকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে সংসদে কার্যকর ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। বগুড়ার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান।
সব মিলিয়ে, বগুড়া থেকে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদে অ্যাডভোকেট শাহাজাদী লায়লা আরজুমান বানুর নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রে। দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








