দিব্যতনু দাস, বাগেরহাট
বাগেরহাটের কচুয়ায় গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) গভীর রাতে হামলার শিকার হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ভোররাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ জানায়, দুই বিয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মিন্টু পারিবারিক অশান্তিতে ভুগছিলেন। সোমবার গভীর রাতে শিবপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে বড় স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন লোক এসে মিন্টুকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, মিন্টু যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
অপরদিকে, মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট শহরের পচা দিঘি থেকে ভাসমান অবস্থায় সুমন্ত বিশ্বাস নামের এক রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত সুমন্ত বিশ্বাস চিতলমারী উপজেলার বাবুগঞ্জ গ্রামের শতীষ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
বাগেরহাট সদর থানার ওসি মো. মাহমুদ উল হাসান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।








