বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চিংড়ি খাত থেকে বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব: বিএফএফইএ

ব্যুরো চীফ, খুলনা 

খুলনায় বাগদা ও ভেনামী চিংড়ির বৈচিত্র্যময় মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদনের দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে ফিশারিজ ট্রেনিং শ্রিম্প টাওয়ার মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ কামরুল আলমের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক জিনাত আরা আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক পলাশ কুমার ঘোষ।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, চিংড়ি ও মৎস্য খাত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ রপ্তানি খাত এবং দেশের আর্থিক উন্নয়নের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অংশীদার। এ খাতের উন্নয়নে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো প্রয়োজনীয় সব কিছু করবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।

বিএফএফইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ কামরুল আলম বলেন, চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি খাতের সঙ্গে ৫০ লক্ষাধিক লোক জড়িত, যার অধিকাংশই নারী। অতীতে এ খাতটি দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত ছিল।

তিনি বলেন, “অতীত সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অধিক ফলনশীল ভেনামী জাতের চিংড়ি চাষের অনুমোদন না দেওয়ায় ভারতের তুলনায় চিংড়ি চাষযোগ্য জমি বেশি থাকা সত্ত্বেও দেশ উৎপাদনে অনেক পিছিয়ে আছে। পরবর্তীতে সরকার অধিক ফলনশীল ভেনামী চিংড়ির চাষের অনুমোদন দিয়েছে। দেশীয় বাগদা চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন যেখানে ৫০০ কেজি, সেখানে ভেনামী ১৫,০০০ কেজি। এ চিংড়ি চাষে কৃষকের পাশাপাশি দেশও লাভবান হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারের সহযোগিতায় সকল বাধা কাটিয়ে ব্যাপকভাবে ভেনামী চিংড়ির চাষাবাদ করা গেলে আগামীতে এ খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।”

প্রশিক্ষণে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার চিংড়ির মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, হ্যাচারি কর্মী ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ