স্টাফ রিপোর্টার – আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য চাই স্মার্ট পুলিশ বাহিনী। দেশের ক্রান্তিকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বত্রই প্রশংসিত পুলিশ বাহিনী। পুলিশ বাহিনী যাতে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে সেভাবে তারা পেশাদারিত্ব নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে। রবিবার বেলা ১২টার পর সারদা পুলিশ একাডেমির প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী কর্মকর্তাদের মাঝে ট্রফি বিতরণ করেন এবং নবীন এ পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ম রক্ষা ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ বাহিনী। মুক্তিযদ্ধের চেতনায় জনগণের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এসময় তিনি আরও বলেন, সংবিধান বহির্ভূতভাবে যেন কেউ আর ক্ষমতায় আসতে না পরে, সেই চেষ্টা করছে সরকার।
এর আগে সকাল ১০টায় রাজশাহী পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। দুপুরে শহরের ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে যাবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এই মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। সেখানে রাজশাহীর ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। সকাল ৯টার দিকে ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর পরপরই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঢলে পরিপূর্ণ হয়েছে সভাস্থল। ভোর থেকেই জনসভা এলাকায় আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। জেলার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি উপজেলা থেকেও মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসছেন। এসময় তাদের স্লোগানে-স্লোগানে মুখর রাজশাহী নগরী। প্রধানমন্ত্রীর এ জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মহানগরীজুড়ে কয়েক ধাপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।








