স্টাফ রিপোর্টার – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিনি এ সাক্ষাৎ করেন।
তিন দিনের সফরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পৌঁছান বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অ্যাডভোকেট (দূত) হিসেবে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন তিনি।
এসডিজি দূত হিসেবে রানি মাথিল্ডে মেয়েদের শিক্ষা, নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াই, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বাংলাদেশের অর্জন এবং এসব ক্ষেত্রে সহায়তার দিকগুলো দেখবেন। মাথিল্ডে বেলজিয়ামের প্রথম রানি যিনি ঢাকা সফরে এলেন।
এরআগে মঙ্গলবার বেলজিয়ামের রানি কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ একটি ফ্লাইটে সরাসরি কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান তিনি। এ সময় বিমানবন্দরে রানিকে অভ্যর্থনা জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহিন ইমরান, কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমানসহ ঢাকাস্থ তুর্কি দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকেই বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে সরাসরি উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বেলজিয়ামের রানী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছেন। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বেলজিয়ামের রানির শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও বিভিন্ন কার্যক্রমে উপস্থিত থাকবেন।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং এ দেশের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দেখা করার জন্য রানি কক্সবাজার সফরে যান। দুপুরে বেলজিয়ামের রানি উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শরণার্থী শিশুদের লার্নিং সেন্টার এবং মিয়ানমারে সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাছের চারা রোপণ করেন। বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডে দিনব্যাপী সফরে শরণার্থী ক্যাম্পে জাতিসংঘের কার্যক্রমের পাশাপাশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন এবং রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।








