,

যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল

রোববার (২৯ অক্টোবর) ভোর ছয়টা থেকে বঙ্গবন্ধু টানেলটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ভোরের আলো ফোটার আগেই অপেক্ষা করতে থাকে বেশ কিছু যান। ছয়টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ২৫০ টাকা টোল দিয়ে প্রথম টানেলে ঢুকে একটি মাইক্রোবাস।

টানেলে চলতে পারবে ১২ ক্যাটাগরির যানবাহন। এজন্য সর্বনিম্ন টোল দুইশ’ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে চলাচল করতে পারবে না মোটরসাইকেল বা তিন চাকার যান।

টোল আদায়ে আনোয়ারা প্রান্তে ১৪টি বক্স বসানো হয়েছে। টানেলে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলতে পারবে। সেতু বিভাগের পূর্বাভাস অনুসারে, চালুর পর প্রথম বছরে প্রতিদিন এই টানেল পার হবে ১৭ হাজার ৩৭৪টি গাড়ি। যার মধ্যে ৩ হাজার ২১৮টি ভারি যান। ২০২৫ সালে প্রতিদিন পার হওয়া যানবাহনের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৮ হাজার ৩০৫টিতে।

এর আগে শনিবার (২৮ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাগর উপকূল ঘিরে শিল্পের নতুন দুয়ার খুলে গেছে। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হলো চট্টগ্রামবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ