,

অগ্নিঝুঁকিতে ৮০ শতাংশ ভবন

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজধানীসহ সারাদেশে অগ্নিঝুঁকিতে আছে ৮০ শতাংশ ভবন। বিদায়ী বছরে দেশে ২৭ হাজার ৬২৪টি আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭৯২ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে সারাদেশে ২৮১ জন আহত এবং ১০২ জন নিহত হন।

সংস্থাটি বলছে, নকশা অনুমোদন নিলেও পরে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই হয় ভবন নির্মাণ। অপরদিকে রাজউক বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় আছে শপিং কমপ্লেক্স, হাসপাতালও।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রায়ই সংশ্লিষ্টরা সব কিছু মেইনটেইন করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আবাসিক ক্ষেত্রে ভবন মালিকরা নিয়মগুলো মানতে চান না।

রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রথমত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হলে রাজউক সেটা জনগণকে সতর্ক করতে পারে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ভবনটি সরকারি মালিকানাধীন হলে সরকারি সংস্থাকে আমরা অবহিত করতে পারি।

এমন পরিস্থিতিতে ইমারত ও দুর্ঘটনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাস্কফোর্স গঠন করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা।

দুর্ঘটনা বিশেষজ্ঞ ড. হাদিউজ্জামান বলেন, কাগজে-কলমে ফায়ার সেফটির জন্য দরকারি সিঁড়ি এবং উপকরণগুলো আমরা দেখাচ্ছি। কিন্তু যখন ভবনটি তৈরি হচ্ছে, তখন সেটি নকশা অনুযায়ী হচ্ছে কিনা, সেটা তদারকি করতে হবে। এজন্য আমরা একটা টাস্ক ফোর্স গঠন করতে পারি, যারা শুধু নকশার প্রয়োগটা দেখবে।

বিল্ডিং কোড আইন অনুযায়ী এবং যথাযথভাবে আইন বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষকে আরও তৎপর হওয়ার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ