স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ছয় জন নিহত হয়েছেন। এ হামলার দায় ছাত্রলীগের ওপর চাপিয়েছে ছাত্রশিবির। এর প্রতিবাদে কোটা সংস্কার আন্দোলনরতদের পক্ষে সড়কে নেমেছে ছাত্রশিবির। রাজধানী ঢাকায় সংগঠনটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে মিছিল বের করে তারা। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নূরুল ইসলাম। মিছিলটি শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে ইত্তেফাক মোড়ে গিয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
এসময় নূরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রকামী মানুষের যেকোনো আন্দোলনকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য পন্থা অবলম্বন করে আসছে। একই কায়দায় বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকে বানচাল করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লাঠিয়াল বাহিনী ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিয়েছে। ছাত্রলীগ তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিরীহ ছাত্রদের রক্তাক্ত করেছে।
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। রাতের আঁধারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। আমরা এ বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা বলে দিতে চাই, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-দখলদারত্বের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগ দেশের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী সংগঠন। চাঁদাবাজ, ছিনতাই, ধর্ষণ, খুন, মাদক ব্যবসায়, মানুষের সম্পদ লুণ্ঠনসহ এমন কোনো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড নেই যার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়।
এদিকে, এই কোটা সংস্কার আন্দোলনে জামায়াত-শিবির রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ। তবে এবারই প্রথম ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে এলো কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষাবলম্বন করে।








