বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জননেতা আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে রংপুর বিভাগে গতিশীল হচ্ছে বিএনপি 

রফিকুল ইসলাম , কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার একজন ত্যাগী ও নিবেদিত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা আব্দুল খালেক যার সার্বিক সহযোগিতায় কুড়িগ্রাম জেলা সহ রংপুর বিভাগে বিএনপি গতিশীল হচ্ছে ।

 

বিগত ২০২২ সালের ৭ই ডিসেম্বর বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনের সামন থেকে আওয়ামী সরকারের হাতে আটক হয়ে নির্যাতন ও নিপীড়নের স্বীকার হন জননেতা আব্দুল খালেক । ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা আব্দুল খালেক এর নির্দেশনায় তার নিজ জেলা কুড়িগ্রাম ও নিজ উপজেলা উলিপুরের রাজপথের সংগ্রাম আন্দোলন সংগঠিত করেছিলেন। কুড়িগ্রাম জেলা সদর, উলিপুর, চিলমারী, রাজারহাট, রৌমারী, রাজিবপুর বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নগুলোতে তারই উদ্যোগে ও নেতৃত্বে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ঘোষিত সকল কর্মসূচী পালন করেছে ছাত্রদলের রাজনীতি করে আসা সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে দলের পদবীচ্যুত যুবদল, কৃষকদল, মৎস্যজীবি দল ও বিএনপি’র একটি ত্যাগী ও নির্যাতিত অংশেই ২৮ শে অক্টোবরের আগে ও পরে কেন্দ্রঘোষিত হরতাল, অবরোধ, কালোপতাকা মিশিল, ইউনিয়ন পদযাত্রা অবস্থান কর্মসূচী, মশাল বিক্ষোভ মিছিলের মতো ঝঁকিপূর্ণ আন্দোলনগুলো আব্দুল খালেক এর অনুপ্রেরণাতে কুড়িগ্রাম জেলায় হয়েছিল।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পূর্বে এই জেলা ও উপজেলার পদ, পদবীতে থাকা নেতা-কর্মীরা সক্রীয় ছিলনা। সেখানে বিএনপি’র এই কেন্দ্রীয় নেতা প্রত্যক্ষভাবে এই এলাকায় বিএনপি’র স্থানীয় প্রবীণ ও তরুন নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করে রাজপথে সক্রীয় করেছেন। আব্দুল খালেক ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে ছাত্র রাজনীতিতে ব্যাপক পরিচিতি ও সুনাম অর্জন করেন। ছাত্রদল একটি প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠন যা বিএনপি’র আদর্শে বিশ্বাসী। দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে তিনি ছাত্রদের অধিকার আদায়ের পক্ষে ও ৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রীয় অংশগ্রহণ করেছেন এবং এরশাদ পতনে ছাত্রদলের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন ও এরশাদ পতনের আওয়াজ তুলেছিলেন। তার নেতৃত্বে ছাত্রদলের তার সাংগঠনিক কার্যক্রম সেই সময়ে সুসংগঠিত করেছেন এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ছাত্র রাজনীতির একটি শক্তিশালি অবস্থান তৈরী হয়েছে। তিনি ছাত্রদের মধ্যে বিএনপি’র রাজনীতির আদর্শ, উদ্দেশ্য প্রসারের জন্য নিবেদিতভাবে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিএনপি-কে সুসংগঠিত করার জন্য রাত-দিন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ছুটে বেড়াচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি একজন দক্ষ সাংগঠনিক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসাবে কুড়িগ্রাম জেলা তথা রংপুর বিভাগে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিএনপি’র সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কর্মীও সমর্থকদের একত্রিত করে রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনার জন্য রাত-দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে রংপুর বিভাগে দলের শক্তি বৃদ্ধি এবং জনগণের মাঝে বিএনপি’র অবস্থান ও ভীত মজবুত করার ক্ষেত্রে তার ব্যাপক অবদান রয়েছে । রাজনৈতিক জীবনে ত্যাগ ও সংগ্রামে আব্দুল খালেক একাধিক সংগ্রাম ও চ্যালেঞ্জের সাথে জড়িত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করে আসছেন এবং দেশের রাজনৈতিক এ পরিস্থিতিতেও অনেক ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। তার রাজনৈতিক জীবন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার এবং দেশপ্রেমের প্রতি অটুট বিশ্বাসের প্রতীক। তিনি জনগণের পাশে দাড়িয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নিজেকে আত্মত্যাগ করেছেন। বিশেষ করে এ অঞ্চলের বিএনপি’র আন্দোলনে ও পলাতক হাসিনা সরকার পতনের লক্ষে ব্যাপক প্রতিবাদ ও আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি’র সদ্য বিদায়ী সাবেক

সহ-সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান জানান, আব্দুল খালেক কুড়িগ্রামের বিএনপি-কে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছেন । যার নেতৃত্বে আজ প্রবীণ ও তরুনেরা এক হয়ে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য জীবনকে বাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী মহল অঙ্গসংগঠনের কমিটি প্রসঙ্গে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে । তিনি দলের জন্য একজন নিবেদিত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ