মিয়ানমারের সংঘাত ও সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই অস্থিরতা যদি চলতেই থাকে, তাহলে তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হতে পারে।
আজ ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা জ্যাঁ-পিয়েরে লাক্রোয়ার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি বলেন— রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সাম্প্রতিক কক্সবাজার সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেই সফর রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের আশার আলো দেখিয়েছে।
সাক্ষাতে ড. ইউনূস শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন এবং বলেন— বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে বিশ্বে অন্যতম অবদান রাখছে। বর্তমানে বিশ্বের ১০টি মিশনে বাংলাদেশের ৫,৬৭৭ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ অতিরিক্ত সেনা ও পুলিশ পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেমে পাঁচটি ইউনিট র্যাপিড ডিপ্লয়মেন্টের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জাতিসংঘ প্রতিনিধি লাক্রোয়া জানান, শান্তিরক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য জাতিসংঘ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্বমূলক পদেও আরও বেশি দেখতে চায় তারা।
শেষে ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী পাঠানোর ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সব নিয়ম-কানুন ও মানবাধিকার মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল আগামী ১৩-১৪ মে বার্লিনে শান্তিরক্ষা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেবে বলেও জানানো হয়।








