দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাতে চার শিক্ষার্থীসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল রাত থেকে ২৮ এপ্রিল সোমবার দুপুরের মধ্যে নেত্রকোনা, কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা: কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় বজ্রপাতে কৃষক নিখিল চন্দ্র দেবনাথ ও জুয়েল ভূঁইয়া মারা যান। এই ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা গ্রামে বজ্রপাতে দুই স্কুলছাত্র ফাহাদ হোসেন (১৩) ও মোহাম্মদ জিহাদ (১৪) মারা যান। তারা দুজনই স্থানীয় একটি স্কুলের ছাত্র ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের হাওরে বজ্রপাতে এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার মধ্যে অষ্টগ্রাম উপজেলার হালালপুর গ্রামে ইন্দ্রজিত দাস (৩০) এবং খয়েরপুরে স্বাধীন মিয়া (১৪) মারা যান। এছাড়া মিঠামইন উপজেলার রানীগঞ্জ গ্রামের ফুলেছা বেগম (৬০) বজ্রপাতে মারা যান।
সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নে বজ্রপাতে শিক্ষার্থী রিমন তালুকদার (২০) মারা যান। তিনি শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। বজ্রপাতে তার সঙ্গে একটি গরুও মারা যায়।
নেত্রকোনা: নেত্রকোনার মদনে বজ্রপাতে মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত (১০) মারা যান। তিনি ফজরের নামাজ শেষে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করেন। এর পাশাপাশি, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় এক শিক্ষক দিদারুল হক (৫০) বজ্রপাতে মারা যান।
এই সমস্ত ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত চালাচ্ছে এবং মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে।








