আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের নয় মাস পর অবশেষে দেশ ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি ব্যাংককের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে ।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, রাত ১১টার দিকে আবদুল হামিদ বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইমিগ্রেশনে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে বিদেশ যাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইমিগ্রেশন বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সকালে তিনি জানতে পারেন সাবেক রাষ্ট্রপতি দেশত্যাগ করেছেন। তার নামে হত্যা মামলা থাকলেও, আদালতের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় আইনত তাকে আটকানো হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৩৪ ও ১০২ ধারার আওতায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার জন্য আদালতের সুনির্দিষ্ট আদেশ প্রয়োজন। আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা নিষেধাজ্ঞা ছিল না।
উল্লেখযোগ্য, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও ওবায়দুল কাদেরের নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে এর আগে কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হলেও, সেগুলোর কোনোটিতে আবদুল হামিদের নাম ছিল না।








