ইউরোপের বিপক্ষে লাতিন ঝড়, চ্যাম্পিয়ন ইন্টারকে হারিয়ে দিল ফ্লুমিনেন্স
ক্লাব বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার যেন লাতিন আমেরিকার দলগুলো বাজিমাত করছে। একের পর এক ইউরোপীয় জায়ান্টদের হারিয়ে দারুণ চমক দেখাচ্ছে ব্রাজিলের ক্লাবগুলো। পিএসজিকে হারিয়েছে বোতাফোগো, চেলসিকে হারিয়েছে ফ্লামেঙ্গো। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ফ্লুমিনেন্স। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল ইন্টার মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ফ্লুমিনেন্স। কলম্বিয়ান উইঙ্গার জন আরিয়াসের ক্রস ইন্টারের ডিফেন্ডার বাস্তোনির গায়ে লেগে গোলরক্ষক ইয়ান সমারের পায়ের ফাঁক দিয়ে চলে যায় কানোর হেডে। এরপর ইন্টার বারবার চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি। বরং প্রথমার্ধেই আরেকটি গোল করে বসেছিল ফ্লুমিনেন্স, যদিও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ইন্টার আরও আগ্রাসী হয়ে উঠে। লাওতারো মার্টিনেজের শট একবার লাগে পোস্টে, আরেকবার দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ফাবিও। শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড় হারকিউলিস বল পেয়ে দারুণ এক শটে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। নিশ্চিত হয়ে যায় ফ্লুমিনেন্সের জয়।
২০২৩ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস চ্যাম্পিয়ন ফ্লুমিনেন্স এবার ক্লাব বিশ্বকাপে খেলছে সেই সুবাদে। তাদের আগে পালমেইরাসও কোয়ার্টারে উঠেছে। দুই ব্রাজিলিয়ান দল এবার শেষ আটে খেলছে, যা লাতিন ফুটবলের শক্তিরই প্রমাণ।
ফ্লুমিনেন্সের অধিনায়ক ৪০ বছর বয়সী থিয়াগো সিলভা বলেন, ‘ইন্টার খুবই শক্তিশালী দল। এক মাস আগেই তারা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলেছে। তবে আমরা ভয় পাইনি, নিজেদের সেরা খেলাটা খেলেছি।’
ম্যাচসেরা আরিয়াস বলেন, ‘এটা শুধু আমাদের ক্লাব নয়, গোটা ব্রাজিল আর দক্ষিণ আমেরিকার জন্য গর্বের জয়। আমরা মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, এটা ভেবেই গর্ব হয়।’
এই জয়ে আবারও প্রমাণ হলো—ফুটবলে বাজেট কিংবা নাম নয়, মাঠে ভালো খেলাটাই আসল।








