প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গুমের অভিযোগে যেসব সেনা সদস্যের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সেনা সদর।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই বক্তব্য দেন সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় প্রেষণে কর্মরত থাকেন, যেগুলো সরাসরি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নয়। বিগত সময়ে কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এসেছে। আমরা বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
ব্রিফিংয়ে কর্নেল শফিকুল ইসলাম জানান, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালগুলোতে (সিএমএইচ) ‘জুলাই আন্দোলনে’ আহত ৪ হাজার ৭৯০ জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ২২ জন রোগী ঢাকার সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্প্রতি রথযাত্রা উপলক্ষে সেনাবাহিনী নিরাপত্তা দিয়েছে। এছাড়া, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ জন কিশোরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা অভিযান সম্পর্কেও কর্নেল শফিকুল বলেন, “সাম্প্রতিক অভিযানে ২৩ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় আমাদের এক সদস্য দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন।”
সেনাবাহিনী সব সময় পেশাদারিত্ব, আইন ও মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে—এই বার্তা-ই প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।








