আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
একদিকে কাতারে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও, অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় অব্যাহত রয়েছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। সর্বশেষ বোমাবর্ষণে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৮২ জন ফিলিস্তিনি। শুধু রবিবার রাতেই গাজা সিটিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।
গাজা শহরের ঘনবসতিপূর্ণ শেখ রাদওয়ান এলাকায় মধ্যরাতে চালানো এক ভয়াবহ বিমান হামলায় বহু ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন অসংখ্য নারী-শিশুসহ বাসিন্দারা।
হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া মাহমুদ আল-শেখ সালামা ভয়াল অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, “রাত আনুমানিক ২টার দিকে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট এক বিস্ফোরণে ঘুম ভেঙে যায়। কিছুক্ষণ পরেই আরেকটি জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা দৌড়ে বাইরে যাই। দেখি চারটি পরিবারের পুরো ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে রয়েছে।”
এই হামলার ফলে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই হামলাকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
গাজার নাগরিকরা বর্তমানে জীবন বাঁচাতে ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু কোথাও নিরাপদ আশ্রয় নেই — আকাশপথে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের গর্জন, মাটিতে ধ্বংস, আর চারদিকে শোক আর আতঙ্কে আচ্ছন্ন গোটা উপত্যকা।








