আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিজেদের সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ‘খুব সীমিত’ পরিমাণে লক্ষ্যভেদ করেছে এবং যেসব সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই এখনো সক্রিয় রয়েছে। তবে হামলায় নির্দিষ্ট কোন কোন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এর আগে, ৫ জুলাই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অন্তত পাঁচটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানে।
প্রতিবেদন অনুসারে, হামলার শিকার সামরিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে ছিল একটি প্রধান বিমানঘাঁটি, একটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র এবং একটি রসদ সরবরাহ ঘাঁটি। ইসরাইলের উত্তর, দক্ষিণ এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চলে এসব ঘাঁটিতে কমপক্ষে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
গত ১৩ জুন শুরু হওয়া এই সংঘাতে ইসরাইল এখনো পর্যন্ত কোনো সেনা হতাহত কিংবা সামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি। এতদিন তারা দাবি করে আসছিল, ইরান কেবল বেসামরিক স্থাপনা এবং নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, এবং সেই ক্ষয়ক্ষতির তথ্যই শুধু প্রকাশ করছিল।








