নাসরিন সুলতানা, স্টাফ রিপোর্টার
দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাধারণ ছাত্র-জনতা। শনিবার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, রাজধানীর মিটফোর্ড, খুলনা এবং অন্যান্য স্থানে মানুষকে প্রকাশ্যে পাথর, রড, কংক্রিট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার মতো বর্বরোচিত ঘটনা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। এসব নৃশংসতার পেছনে চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে দায়ী করেন তারা।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া চাঁদাবাজির কালো থাবা সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। যেকোনো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গণপিটুনি ও হত্যার মতো মব সহিংসতা বেড়েই চলেছে। তারা আরও বলেন, এক শ্রেণির ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আইনের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধ করে যাচ্ছে, আর প্রশাসনের একাংশ অনেক সময় অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং বলেন, অপরাধের বিচার না হলে এ ধরনের বর্বরতা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠক ইমরান খান, সংগঠনটির এমএম কলেজ শাখার নেতা খন্দকার রুবাইয়া, যশোর পৌর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক তসলিম উর রহমান।
বক্তারা প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান এবং দেশব্যাপী নাগরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।








