আফসার রেজা, ক্রীড়া প্রতিবেদক:
নতুন ফরম্যাটে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে বাজিমাত করল চেলসি। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের ফাইনালে তারা ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে চেলসি। ম্যাচের আগেই চেলসির অধিনায়ক রিচ জেমস হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “আমরা রিয়াল মাদ্রিদ নই।” ম্যাচে নেমে তিনি কথার জবাব দেন মাঠেই।
প্রথমার্ধেই কার্যত সবকিছু শেষ করে দেয় ইংলিশ ক্লাবটি। ম্যাচের ২২ ও ৩০ মিনিটে চেলসির তরুণ তারকা কোলে পালমার জোড়া গোল করে দলের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেন। ৪৩ মিনিটে পালমারের পাস থেকে চিপ শটে বল জালে পাঠিয়ে পিএসজির আশা পুরোপুরি শেষ করে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রো।
পিএসজির শক্তিশালী মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে রাখে চেলসির মাঝমাঠের দুই চালিকাশক্তি—কোলে পালমার ও এনজো ফার্নান্দেজ। কোচ লুইস এনরিকের কৌশলকে একরকম অকার্যকর করে দেয় চেলসির সংগঠিত রক্ষণ ও ছন্দময় আক্রমণ।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০২২ সালের পর আবার ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল ব্লুজরা। তবে এবারের জয়টা আরও গৌরবময়, কারণ এটি নতুন ফরম্যাটে আয়োজিত ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম আসর। আর এ জয়ের মধ্য দিয়ে চেলসি ভাঙল গত এক দশকের একচেটিয়া ধারাও—যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ীরাই সাধারণত ক্লাব বিশ্বকাপের ট্রফি জিতে আসছিল।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে পিএসজিকে যেভাবে ছিটকে দিয়েছে চেলসি, তা নিঃসন্দেহে তাদের ফুটবল দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার এক অনন্য প্রদর্শনী হয়ে থাকবে।








