নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত জুন মাসে চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মাসব্যাপী চলা অভিযানে বাহিনীটি প্রায় ১৩৬ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। একইসঙ্গে চোরাচালান ও সীমান্ত-সম্পর্কিত অপরাধে জড়িত ৩৫৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চোরাচালানবিরোধী অভিযানে জব্দ করা পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ৪ কেজি ৩৩৮ গ্রাম স্বর্ণ, ১৩ হাজার ৩৭২টি শাড়ি, ৬ লাখ ৬৪ হাজার আতশবাজি, ১ লাখ ৩২৮টি মোবাইল ফোন, ৫ লাখ ৪৭ হাজার পিস চকলেট, ৭৭৭টি গরু ও মহিষ, একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
অস্ত্র জব্দের তালিকায় রয়েছে— একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি দেশি পিস্তল, তিনটি শটগান, তিনটি মর্টার শেল, চারটি হ্যান্ড গ্রেনেড এবং ১৯টি গুলি।
মাদকদ্রব্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জব্দ করা হয়েছে— ১২ লাখ ৬৮ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট। এ ছাড়া রয়েছে ৭ কেজি ৯২৫ গ্রাম হেরোইন, ১ কেজি ৪৩০ গ্রাম কোকেন, ১০ হাজার ৯৪০ বোতল বিদেশি মদ, ১ লাখ ২৪ হাজার সিগারেট ও বিড়ি, এবং ১ লাখের বেশি বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট ও ইনজেকশন।
অভিযান চলাকালে ১৯৭ জন চোরাকারবারী, ১৫৫ জন বাংলাদেশি এবং ৭ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়। সেই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ৩৩৫ জন মিয়ানমার নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের নিয়মিত অভিযান ও তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।








