নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাত্র দুটি বাল্ব, দুটি সিলিং ফ্যান ও একটি ফ্রিজ চালিয়ে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতার ঘরে এক মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা।
টিনশেডের ঘরে বসবাস করা মো. আবদুল মান্নান নামে এই ঝালমুড়ি বিক্রেতা এমন ‘ভুতুড়ে বিল’ পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গাড়ারণ এলাকায়। ভুক্তভোগী জানান, গত ২৭ জুলাই (রোববার) জুলাই মাসের বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীরা তার বাড়িতে আসেন। তখনই তিনি জানতে পারেন, তার নামে বিল এসেছে ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা। অথচ গত কয়েক মাসে তার গড় বিল ছিল মাত্র ১২০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে।
আব্দুল মান্নান বলেন, “আমি একজন গরিব মানুষ। এমন বিল দেখে তো মাথা ঘুরে গেল। এটা জীবনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা। এখন আমাকে অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে, অথচ আমার কোনো দোষ নেই।”
এই ঘটনা ঘিরে এলাকাবাসীর মাঝেও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বিষয়টির দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল আলম বলেন, “এটি নিঃসন্দেহে একটি ভুল বিল। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বিলটি সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং যিনি এই বিল প্রস্তুত করেছেন, তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি এড়াতে বিদ্যুৎ বিভাগের আরও সতর্ক হওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।








