,

আদালতে চাঁদাবাজির বিস্তারিত বর্ণনা দিলো রিয়াদ

পথে প্রান্তরে ডিজিটাল ডেস্ক:

সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফরের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক সদস্য আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ।

রবিবার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাত উল্লাহর খাস কামরায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন তিনি।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রিয়াদ গত ২৭ জুলাই এই মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে রিয়াদ জানিয়েছেন, তিনি এবং তার সহযোগীরা মিলে ১০ লাখ টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে ৫ লাখ টাকা তিনি নিজে রাখেন এবং বাকি টাকা অন্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

রিয়াদ জানান, নিজের অংশের টাকা তিনি বাড্ডার বৈঠাখালির একটি বাড়ির সাততলায় রাখেন। সেখান থেকে কিছু টাকা খরচ করার পর বাকি ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা একটি ওয়ারড্রবে রাখেন, যেখান থেকে পুলিশ পরে ওই অর্থ উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, পুরো টাকাটিই শাম্মী আহমেদের বাসা থেকে নেওয়া। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ লাখ টাকা আদায় করা। তবে শেষ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকাই পান।

রিয়াদ তার জবানবন্দিতে স্বীকার করেন, চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জানে আলম অপু। আরও জানান, ঢাকার গুলশানে শাম্মী আহমেদের স্বামীর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য ২৬ জুলাই তার সহযোগী ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, মো. সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাবসহ পাঁচজন অভিযুক্তের বাসায় যান। তবে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সবাইকে আটক করে।

তিনি জানান, এই পাঁচজন ছাড়াও আরও দুই-তিনজন এ চাঁদাবাজি কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া গুলশান এলাকার আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও চাঁদা আদায়ের কথা তিনি স্বীকার করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ