মোহাম্মদ আলী, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:
কাপ্তাই বাঁধকে বিপদমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ১৬টি স্পিলওয়ে (জলকপাট) খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হয়।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানির কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা হঠাৎ বেড়ে যায়। সোমবার রাত ১২টার দিকে পানির উচ্চতা ১০৮.০৫ ফুট অতিক্রম করে বিপদসীমায় পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ১২টা ২ মিনিটে ১৬টি জলকপাট খোলা হয়।
তিনি আরও জানান, জলকপাট খুলে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৫ ইউনিটের টারবাইনের মাধ্যমে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৪১ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হচ্ছে।
এতে রাঙামাটি জেলা শহরসহ লংগদু, বাঘাইছড়ি ও বরকল উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও হাজারো একর ফসলি জমি।
পানি ছাড়ার বিষয়টি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ভাটির এলাকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনগণকে অবহিত করা হয়েছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছেড়ে দেওয়া অতিরিক্ত পানি ভাটির মানুষের জন্য বড় ধরনের আতঙ্কের কারণ হবে না।








