ব্যুরো চিফ, বরিশাল:
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেছেন, “দাম্ভিক হাসিনা জনরোষে পালিয়ে গেলেও, আওয়ামী শাসকদের শত নির্যাতনেও আপসহীন নেত্রী ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো দেশ ছেড়ে পালাননি। নেতাকর্মীদের ছেড়ে দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার কথা তিনি কখনো চিন্তাও করেননি।”
আবদুস সোবহান বলেন, “হাসিনা অহংকার করে দাম্ভিকতার সঙ্গে বলেছিলেন—হাসিনা পালায় না। গত বছরের ৫ আগস্টের তিন দিন আগেও তিনি বলেছিলেন, তিনি নাকি পালান না। ঠিক তিন দিনের মাথায় বিমানে করে নিজের বোনকে নিয়ে দেশ ছেড়ে হাসিনা পালিয়ে গেছেন।”
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান আরও বলেন, “আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাসিত করার হাজারো চেষ্টা করা হয়েছে। জেল-জুলুম দিয়ে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, কিন্তু পারেনি। আপসহীন নেত্রী দেশ ছেড়ে পালাননি। আমরা গর্ব করে বলতে পারি—আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে কখনো পালিয়ে যাননি। তার ভালোবাসা এ দেশের মাটি ও মানুষ। তিনি তাদের ছাড়া আর কোথাও যাবেন না। এটাই দেশপ্রেম, এটাই জাতীয়তাবাদ।”

আবদুস সোবহান বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া দেশে ছিলেন বলেই ছাত্র-জনতার আন্দোলন সফল হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ে সফল হয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।”
বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বাদ আসর গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডস্থ জামে মসজিদে তার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল আউয়াল লোকমান, সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত তোতা, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহে আলম ফকির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক আকন, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মনির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল হাওলাদার, জেলা উত্তর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম টিটন, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম হীরাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।








