দিব্যতনু দাস, বাগেরহাট:
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু বলেছেন, “পাপিষ্ঠ আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো অধিকার নেই। ওদের বিচার চলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির চ্যান্সেলর হিটলার একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিলেন। তখন হিটলারের সহযোগীরা অত্যাচার করেছিলেন। যার কারণে হিটলার আত্মহত্যা করেছিলেন। এখনো ৮০ বছর ধরে হিটলারের সহযোগী অত্যাচারকারীদের মৃত্যুর পরও বিচার চলছে। হিটলারের মতোই ‘লেডি হিটলার’ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার হবে। বছরের পর বছর, এমনকি আগামী ৫০ বছরও যদি লাগে—তবুও তাদের বিচার চলমান থাকবে, কেউ তা ঠেকাতে পারবে না।”
শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে উপজেলার এসিলাহা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ, বিএনপি নেতা খান মনিরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, কাজী মনিরুল ইসলাম, কাজী কায়রুজ্জামান শিপন, রুনা গাজী, মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার প্রমুখ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দুই সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ শুরু হয়। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শহিদুল হক বাবুল, অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল ও এফ.এম. শামীম আহসান। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ফকির রাসেল আল ইসলাম, মেহেদী হাসান ইয়াদ ও আফজাল হোসেন জোমাদ্দার। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অধ্যক্ষ সাবিনা ইয়াসমিন টুলু, খেলাফত হোসেন খসরু, মো. ইউনুস আলী আকন, মো. জাহাঙ্গীর হাসান লাভলু ও মো. ফিরোজ তালুকদার।
১৬টি ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ১৩৬ জন ভোটার এতে ভোট প্রদান করবেন। ভোটার ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী সম্মেলনে যোগ দেন।








