ব্যুরো চীফ, বরিশাল:
বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের ওপর হামলায় জড়িত তিন শিক্ষককে অবিলম্বে বহিস্কার করার এবং প্রহসনমূলক ক্লাস রুটিন প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন রুটিন প্রকাশের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস, ল্যাব প্র্যাকটিস ও ক্লাস বর্জন করে কলেজের অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে ক্যাম্পাসে লাল কার্ড প্রদর্শন করার পাশাপাশি চোখে লাল কাপড় বেঁধে প্রতীকী নীরবতা পালন করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, “নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে আমরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম। গত ৬ মে আমাদের আন্দোলনে বহিরাগতদের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়। হামলাকারী ও তাদের মদদদাতা অত্র কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু দীর্ঘ চার মাস পার হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা হয়নি। শিক্ষক আলী আজগর, সাইদ হোসাইন রনি ও ফরিদা বেগম এখনও পদে বহাল আছেন। আমাদের লাঞ্ছিত করেও যারা ক্যাম্পাসে রয়েছেন, তাদের অবিলম্বে বদলি বা অপসারণ করতে হবে। নয়তো আন্দোলন অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।”
স্টুডেন্ট নার্সেস ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, বরিশাল নার্সিং কলেজের দপ্তর সম্পাদক ফজলে রাব্বি বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ধারাবাহিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। ২৫ আগস্ট ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করে অধ্যক্ষ বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।”
২৬ আগস্ট শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন, চোখে লাল কাপড় বেঁধে প্রতীকী নীরবতা পালন এবং অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে।








