শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

‘মবকারীরা’ ৩০০ আসনে ভাগ হয়ে যাবে, সুবিধা করতে পারবে না: মার্কিন দূতকে সিইসি

অনলাইন ডেস্ক:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, ‘মবকারীরা’ ৩০০ আসনে ভাগ হয়ে যাবে এবং নির্বাচনের সময় তারা কোনো সুবিধা নিতে পারবে না।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের নির্বাচন একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। তখন ওই ৩০০ জায়গাতেই ‘মব’ ভাগ হয়ে যাবে। যারা মব সৃষ্টি করেন, তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবেন। ফলে একসঙ্গে এতজন একত্রে আর পাওয়া যাবে না। নির্বাচনের সময় যারা মব সৃষ্টি করতে চান বা মব সৃষ্টি করবেন, তারা সুবিধা নিতে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত দেশের বর্তমান ‘মব’ পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের সময় এর প্রভাব ও কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্ট মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে নির্বাচনী চিঠি পাওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি জোরদার করেছি। যদিও তার আগেই বড় বড় কাজগুলো শুরু করা হয়েছিল, যাতে কোনো প্রস্তুতির ঘাটতি না থাকে।’

সিইসি আরও বলেন, ‘পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি, নির্বাচন কমিশন কোনো দোষ বা দায় নিতে রাজি নয়। অতীতে যেমন কমিশনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, এবার আমরা এমন প্রস্তুতি নিচ্ছি যাতে কেউ বলতে না পারে যে আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। সরকার যখনই চাইবে, আমরা নির্বাচন পরিচালনা করতে পারব—এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

বৈঠকে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করা হলে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। এবারও তারা আশাবাদী। সিইসি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন, যা একটি ইতিবাচক দিক। এখনো পর্যন্ত আমি কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা চাপ অনুভব করিনি এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছি।’

গুজব প্রসঙ্গে সিইসি জানান, ‘দেশে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে থাকে। এই গুজবের পেছনে একটি ‘ইন্ডাস্ট্রি’ কাজ করে। তাই গুজবে কান দিতে হবে না। এছাড়া কমিশন যে সংশোধনী প্রস্তাব করেছে, তা সবাইকে জানানো হয়েছে।’

কালো টাকা ব্যবহার প্রতিরোধ সম্পর্কে সিইসি বলেন, ‘আমরা যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিচ্ছি। পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন, তবে নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ