খুলনা ব্যুরো:
খুলনায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু (৬০)-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে এবং জড়িতদের বিচারের দাবীতে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) মানববন্ধন ও সমাবেশ আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে খুলনার সাংবাদিক সমাজ সাংবাদিক বুলুর মৃত্যুর পেছনের কারণ দ্রুত উদঘাটনের দাবি জানান এবং দেশের সকল সাংবাদিকের নিরাপদ মৃত্যুর নিশ্চয়তা কামনা করেন।
খুলনা প্রেসক্লাবের সম্মুখ সড়কে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন কেইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম। সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন সহ-সভাপতি কাজী শামিম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মহেন্দ্রনাথ সেন, বিএফইউজে যুগ্ম-মহাসচিব হেদায়েত হেসেন মোল্লা, সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, নির্বাহী সদস্য কৌশিক দে বাপী, সাবেক সহ-সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তফা জামাল পপলু প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে আরও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক বুলু যদি আত্মহত্যা করেও থাকেন, তাহলে কেন তিনি তা করলেন এবং কি কারণে বাধ্য হন, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। তারা দাবি করেন, বুলুর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, তাকে হত্যা করা হয়েছে বা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। বুলুর লাশ উদ্ধার করার পর লবণচরা থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে, যা নৌ-পুলিশ তদন্ত করছে। তবে তদন্ত ধীরগতিতে চলছে। তাই তারা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পিআইবি, র্যাব এবং সরকারের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাকে ছায়া তদন্তের মাধ্যমে নৌ-পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
গত রোববার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে খুলনার খানজাহান আলী-রূপসা সেতুর ২ নম্বর পিলারের বেজমেন্ট থেকে বুলুর লাশ উদ্ধার করা হয়। বুলু দৈনিক বঙ্গবাণী পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে দৈনিক আজকের কাগজ, চ্যানেল ওয়ান, ইউএনবি, দৈনিক প্রবাহসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকায় কাজ করছিলেন। তিনি খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) ও বিএফইউজে-এর সদস্য ছিলেন।








