দিব্যতনু দাস, বাগেরহাট:
বাগেরহাটের চারটি আসন বহালের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের হরতাল কর্মসূচি শেষে আবারও তিন দিনের হরতালসহ অফিস ও আদালত ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সর্বদলীয় সমন্বয় কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও বিএনপি সাবেক সভাপতি এম. এ. সালাম। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সমর্থকরা আগুন জ্বালিয়ে, বেঞ্চ পেতে, বাস বেঁধে এবং গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেছেন। সর্বদলীয় সমন্বয় কমিটির দাবি, জেলার বিভিন্ন সড়কের অন্তত ১৩৪টি স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা। ফলে বাগেরহাট জেলা কার্যত অন্যান্য জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
হরতালের প্রভাব পড়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলাতেও। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে।
সড়ক বন্ধ থাকায় বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড, ধরাটা না সেতু, ফতেপুর বাজার, সিএনবি বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পণ্যবাহী ট্রাকের সারি দেখা গেছে। এতে ব্যবসায়ী ও চালকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া হরতাল সমর্থনকারী ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এম. এ. সালাম বলেন, “বাগেরহাটে চারটি আসন ফিরে পেতে আমরা পাঁচ দিনের কর্মসূচি দিয়েছিলাম। সর্বস্তরের জনগণ আমাদের এই কর্মসূচি পালনে অংশগ্রহণ করেছেন। আমাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। নির্বাচনী কমিশনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জনগণের কথা চিন্তা করে আগামী রবিবার প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিন দিন সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে। আমাদের দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”








