শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পাহাড়ে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন জরুরি

স্টাফ রিপোর্টার, পার্বত্যাঞ্চল

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান ভূমি সমস্যা এখানকার সকলকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন এখন সময়ের দাবি।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় অংশীজনদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত পার্বত্য জেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন সংক্রান্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে। কোথায় কী হবে আর কী হবে না—সব বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমাদের দেশে তা এখনো করা সম্ভব হয়নি। তাই ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ভূমি সমস্যা সহজভাবে সমাধান করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসকগণ, হেডম্যান-কার্বারী ও গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সনাতন সম্প্রদায়ের আসন্ন দুর্গাপূজা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান কঠিন চীবর দান যাতে নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করা যায়, সে জন্য সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠান দু’টি সফল করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের উল্লেখযোগ্য কাজ উপস্থাপন করা হয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এমদাদুল হক চৌধুরী ভূমি বিষয়ক একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রজেক্টরের মাধ্যমে সবার সামনে উপস্থাপন করেন।

এছাড়া পার্বত্য জেলার বর্তমান ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মশালা শেষে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার সার্কেল চিফ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, হেডম্যান ও কার্বারীদের নিয়ে পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ