ব্যুরো চিফ, বরিশাল
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিতে নির্বাচন না দিলে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা দাবি আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের ফলে নিবন্ধিত প্রায় প্রত্যেকটি দলের ভোটের আনুপাতিক হারে প্রতিনিধি জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন।
অথচ একটি দল পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছে। তারা আমাদের বৈরী রাষ্ট্রের এজেন্ডা এই বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করার হীন অপচেষ্টায় লিপ্ত।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে পেশিশক্তি ও কালো টাকার দৌরাত্ম্য থাকে না।
অবৈধভাবে ভোটকেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতির মহোৎসব, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও, জ্বালাও-পোড়াও, সহিংসতা, নৈরাজ্য, অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা থাকে না।
এর ফলে দেশে প্রতিহিংসার দানবীয় অপরাজনীতির অবসান হয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিযোগিতার রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে। দেশের জনগণ স্বচ্ছন্দময় জীবনযাপন করবে।
ফয়জুল করীম বলেন, দেশ স্থিতিশীল থাকলে আন্তর্জাতিক বিদেশি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্বিঘ্নে বিনিয়োগ আসবে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, বেকারত্বের অভিশাপ থেকে জাতি মুক্তি পাবে।

এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশ হবে আত্মনির্ভরশীল, সুখী, সমৃদ্ধ, শান্তিময় আদর্শ রাষ্ট্র।
বিশ্বের প্রায় ৯১টির বেশি দেশ কোনো না কোনো প্রকারের পিআর পদ্ধতি অনুসরণ করে সুফল পাচ্ছে। তাই দেশে এই দাবি দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগর সভাপতি প্রফেসর লোকমান হাকিমের সভাপতিত্বে এবং নগর সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।








