সোমবার, ৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আমাকে খুঁইজেন না, বয়ফ্রেন্ডের সাথে আছি

ব্যুরো চিফ, বরিশাল

নিখোঁজ কলেজছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। পুলিশ বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ কলেজছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য তৎপরতা শুরু করেন। ঠিক সেই সময় জিডির তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে নিখোঁজ কলেজছাত্রীর একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তায় লেখা ছিল— “আমাকে খুইজেন না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আছি এবং ভালো আছি।”

বিষয়টি রবিবার (১৬ নভেম্বর) জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা গ্রামের।

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউর ইসলাম বলেন, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র দাসের মেয়ে এবং বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী পূজা দাস (২১) কলেজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

এ ঘটনায় নিখোঁজ কলেজছাত্রীর ভাই রিমন দাস আগৈলঝাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তিনি জিডিতে উল্লেখ করেন, গত ৯ নভেম্বর সকাল সাতটায় বরিশালে কলেজে যাওয়ার জন্য আগৈলঝাড়ার বাড়ি থেকে বের হয় পূজা। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ রয়েছে। সকল আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খুঁজেও পূজা দাসের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার এসআই মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, জিডির পরই কলেজছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়। এরই মধ্যে শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে নিখোঁজ পূজা দাসের মোবাইল ফোন থেকে আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। সেই বার্তায় লেখা ছিল— “আমাকে খুইজেন না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আছি এবং ভালো আছি।” এরপর থেকেই নম্বরটি পুনরায় বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে নিখোঁজ কলেজছাত্রীর ভাই রিমন দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন— থানায় জিডি করেছি, পুলিশ নিখোঁজের ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউর ইসলাম আরও বলেন, কলেজছাত্রীর পরিবার পুলিশকে তদন্তে কোনও ধরনের সহযোগিতা করছে না। যে নম্বর থেকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে, সেই নম্বরটিও বন্ধ থাকায় ট্র্যাকিং করা সম্ভব হচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ