লন্ডনে বসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিমোট কন্ট্রোলে তারেক রহমান বিএনপি চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করে সহিংস কর্মসূচি চালাচ্ছে বিএনপি। তাদের ডাকা হরতাল-অবরোধে প্রায় প্রতিদিনই বাস, ট্রেনসহ যানবাহনে আগুন দেয়া হচ্ছে। এতে প্রাণ হারাচ্ছেন নিরীহ মানুষ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ট্রেনে মায়ের বুক থেকে ইজরায়েলি বাহিনীর মতো শিশুদের হত্যা করছে বিএনপি। এরা খুনির দল, এরাই গণতন্ত্র হত্যাকারীর দল। এরাই তারা, যারা এক কোটি ভুয়া ভোটার করেছিলো।
‘বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শুনলে ঘোড়াও হাসে। বিএনপি গণতন্ত্র করবে এ কথা শুনলে ঘোড়াও ডিম পারে। বঙ্গবন্ধুকে এরা শেষ করেছে। যারা বেঁচে আছেন, এরা তাদেরও শেষ করতে চায়।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বাঁচাতে চাইলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
‘আজকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার মেয়েরা শেখ হাসিনাকে ফলো করে। এই সম্মান কার? সেই নেত্রীকে বাংলাদেশে যারা ছোট করে, হঠাতে চায়, এবারের নির্বাচনে দলে দলে যোগ দিয়ে তাদেরকে জবাব দিতে হবে।’
সবাইকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, এই লড়াই মুক্তিযুদ্ধ আর বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সংবিধান বাঁচানোর লড়াই। এই লড়াইয়ে শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে হবে।
বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এদিন নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে ওবায়দুল কাদের দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের বড় রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ করেন। এরপর কবিরহাটে পথসভায় বক্তব্য দেন।
নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে লড়ছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ (লাঙ্গল), জাসদের মকছুদের রহমান মানিক (মশাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা (চেয়ার) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাকিল মাহমুদ চৌধুরী (ছড়ি)।
চারবারের সংসদ সদস্য ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসন থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে পরপর তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০১ সালের নির্বাচনে সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের কাছে পরাজিত হন।








