স্টাফ রিপোর্টার- বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের ওপর কিছু উন্নত দেশ অযৌক্তিক চাপ প্রয়োগ করে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গণতান্ত্রিক আদর্শ ও পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শেখ হাসিনা কোনো বিদেশি শক্তির কাছে নত হবেন না।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘মানবাধিকার রক্ষা ও প্রসার: বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি শীর্ষক সেমিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে এসব কথা বলেন শাহরিয়ার আলম।
বিদেশি দূতাবাসের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে সেই ব্যবহার প্রত্যাশা করবো, তারা তাদের দেশে যে ধরনের ব্যবহার বিদেশি দূতাবাসের কাছে আশা করে। বাংলাদেশের সরকার বিদেশি বন্ধুদের বিষয়ে ধৈর্যশীল এবং তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে আগ্রহী। কিন্তু আমাদেরও কিছু রেড লাইন আছে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রদূত, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি রাষ্ট্রদূত অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ ও বিদেশি বন্ধুদের সহায়তায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, জনগণের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।’
১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে অবস্থিত ১৫টি দূতাবাস একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এ বিষয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ও নীতির প্রধান ভিত্তি এবং এজন্য পাকিস্তান ও বাংলাদেশের স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংগ্রাম করেছে। এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের নেতা শেখ হাসিনা কোনো বিদেশি শক্তির কাছে নত হবেন না। গণতান্ত্রিক ও মৌলিক স্বাধীনতার সাংবিধানিক রাস্তা থেকে সরে যাবেন না।
শাহরিয়ার বলেন, ‘সরকারের ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ এবং তারা ঠিক করবে কে এই দেশ শাসন করবে। কোনো বহিঃশক্তি বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এটি ঠিক করবে না।








