স্টাফ রিপোর্টার – ভর্তুকি দিয়ে তেল কেনা হতো, আর সেটা প্রতিবেশী দেশে যেত। এখন তেল পাচার বন্ধ হয়েছে, সেজন্য তেলের দাম ৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার শোক দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তিনি এমনটি বলেন।
সোমবার রাতে ডিজেলের আমদানি শুল্ক ও কর কমানোর পর জ্বালানি তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা কমায় সরকার। এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায় জ্বালানি বিভাগ। রাত ১২টার পর থেকেই এ নির্দেশনা কার্যকর হয়। প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিজেল ও কেরসিনের দাম হবে লিটার ১০৯ টাকা। পেট্রল ১২৫ এবং অকটেন ১৩০ টাকা করে কিনতে পাওয়া যাবে।
ভর্তুকি কমাতে চলতি মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায় সরকার। এতে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৪ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা ও পেট্রলের দাম ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ডিজেল ৮০ টাকা, কেরোসিন ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা ও পেট্রলের দাম ছিল ৮৬ টাকা। জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির পর শুল্ক কমানোর দাবি ওঠে। শুল্ক ও কর কমানোর পর দামও কমেছে। কেন কমেছে, সেই কথাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সারা পৃথিবী জুড়ে কিছু মানুষ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি, যুদ্ধাপরাধীদের স্বজনরাই বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মানবাধিকার নিয়ে তত্ব জ্ঞান দেয়, যখন স্বজন হারানোর ঘটনা ঘটেছে তখন মানবাধিকার কী ভেবেছেন। সেই সময় মামলা করার অধিকারও ছিল না। দেশে গুম খুন শুরু করেছে জিয়াউর রহমান, ভোট কারচুপি শুরুও তার হাতে। জিয়াউর রহমানের আমলে যারা নিখোঁজ হন তাদের আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।








