জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি এখনই বন্ধ হচ্ছে না। ছয় মাসের মধ্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির মধ্যে সমঝোতা স্বারক সই অনুষ্ঠানে এই তথ্য দেন তিনি।
ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের ক্ষেত্রে খোলা তেল বাদ দিয়ে প্যাকেটজাত তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি পেলেও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বিবেচনায় খোলা সয়াবিন তেল পরিহার করা উচিত। আমরা সকলের সমন্বয়ে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেল বন্ধে কাজ করতে চাই।
সফিকুজ্জামান আরও বলেন, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধের সময়সীমা ৬ (ছয়) মাস বর্ধিতকরণের আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মিলগুলো ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে কোন মাসে কতটুকু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে তার একটি কর্মপরিকল্পনা অধিদফতরে দাখিল করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধে সকলকে সমন্বিত হয়ে কাজ করতে হবে।
ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, আমরা খোলা সয়াবিন তেল তদারকির পূর্বে সংশ্লিষ্ট মিলগুলোতে অবগত করেছি। ১ আগস্ট থেকে খোলা সয়াবিন তেল বন্ধের বিষয়ে সারা দেশে মোটিভেশনাল তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এখন আবেদনের প্রেক্ষিতে ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে।
সফিকুজ্জামান আরও বলেন, দেড় বছর ধরে কাজ করছি অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের কার্যক্রম ফেসবুক ইউটিউব মাধ্যমে প্রচার হচ্ছে মানুষ নিজের অধিকার সচেতন হচ্ছে। ঢাকা সিটিতে ৪০টি আউটলেটে ৭০টি স্কিনে আমাদের আইন কানুন জানাচ্ছে।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সাধারণ মানুষের এই প্রতিষ্ঠানের কাছে অনেক প্রত্যাশা বেড়েছে। তাদের যে কর্মতৎপরতা এটা আমাদের সাধারণ নাগরিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। খুব সাহসিকতার সঙ্গে তারা কাজ করছে।
কর্মকর্তাদের মনোবল আরা চাঙ্গা করতে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার বা রাষ্ট্রীয় যেকোনো পুরস্কার দেওয়ার দাবি করা হয়। অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








