শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ডাকসু নির্বাচনে কোনো বাধা নেই : আপিল বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে চেম্বার জজ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশের আদেশ বহাল থাকায় আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ডাকসু নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, চেম্বার আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে এবং তা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আদালতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। অন্যদিকে প্রার্থী ফরহাদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক।

এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট ডাকসু নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করার আদেশ দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী বি. এম. ফাহমিদা আলমের রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। পাশাপাশি আদালত অভিযোগগুলো ডাকসুর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল করতে এবং আগামী ২১ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে ওই আদেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে। পরে মামলাটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়।

জানা গেছে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে ১৭ জন, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ১১ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ১৪ জন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ১৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ১২ জন, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৯ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৩ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৭ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ১৫ জন, মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে সদস্য পদে। ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে এবার ২১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ