ব্যুরো চীফ, বরিশাল:
স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারের দাবিতে বরিশালে চলমান ১৪ দিনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ হামলায় আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সংগঠক মহিউদ্দিন রনিসহ কমপক্ষে আটজন শিক্ষার্থী আহত হন। গুরুতর আহত ছয়জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীদের দাবি, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের কয়েকজন ছাত্র পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে।
আন্দোলনের অন্যতম নেতা মহিউদ্দিন রনি জানান, আন্দোলনের শুরু থেকেই একটি পক্ষ সরকারি হাসপাতালের দালাল সিন্ডিকেটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। দুপুরে কর্মসূচির সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাঁধা দিলে বিকেলে বিএম কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
রনি বলেন, “বিরোধ মীমাংসার জন্য কয়েকজন ছাত্রকে নিয়ে ইজিবাইকযোগে বিএম কলেজের কাছে পৌঁছামাত্রই কিছু দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমি, মুন্না, সোহান, মুস্তাফিজুর রহমানসহ আটজন আহত হই।”
গুরুতর আহত ছয়জনকে রাতেই বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যখাতের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে ১৪ দিনের টানা আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (১০ আগস্ট) চতুর্থ দিনের মতো বরিশালের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ব্লকেড করে বিক্ষোভ করে ছাত্র-জনতা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়ক ব্লকেড শুরু হলে দুপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সড়কের পাশে সরে যেতে বলায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে তারা আবারও মহাসড়ক অবরোধ করে।
বিক্ষোভ কর্মসূচির শেষ দিকে আন্দোলনের নেতা মহিউদ্দিন রনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে আল্টিমেটাম দেন।








