ব্যুরো চীফ, বরিশাল
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ, আদর্শ ও অবদানকে দেশের জনগণ সঠিকভাবে মূল্যায়ন করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।
বরিশাল সদর রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বিভিন্ন পর্যায়ের নারী নেতৃত্ব ও পেশাজীবী নারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রহমাতুল্লাহ আরও বলেছেন—বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন; তিনি বাংলাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত। দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তিনি জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও বলেন—বেগম খালেদা জিয়া নিজের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়েছেন, মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবরণ করেছেন, তবুও স্বৈরশাসকের সিদ্ধান্ত ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে কখনও বিরত থাকেননি। তিনি স্বৈরশাসকের আরাম-আয়েশের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জেল ও মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন।
রহমাতুল্লাহ আরও বলেন—স্বৈরাচারী হাসিনার কারাগারে বেগম খালেদা জিয়াকে পয়জনিং করা হয়েছিল। সেই পয়জনিংয়ের কারণে আজও তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি। যদি তিনি হাসিনার প্রস্তাব মেনে নিয়ে দেশের বাইরে আরাম-আয়েশে অবস্থান করতেন, তাহলে হয়তো শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতেন, কিন্তু তাতে আজকের বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখা যেত না।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ অবশ্যই বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ ও অবদানকে শ্রদ্ধাভরে মূল্যায়ন করবে। আগামী প্রজন্ম ও নারী সমাজ যেন এই ত্যাগের ইতিহাস জানতে পারে, সেজন্য নারী প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রহমাতুল্লাহ বলেন—আপনারা ঘরে ঘরে গিয়ে খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও অবদানের কথা পৌঁছে দিন, যাতে ভবিষ্যৎ নারী প্রজন্ম অনুপ্রেরণা পায়।
অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বরিশাল জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা আক্তার, মহানগর বিএনপির নেত্রী আফরোজা বেগম, বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী কাশ্মিরী বেগম বর্ণা, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেত্রী শামিমা নাসরিন পুতুল, ৭ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি মনি আক্তার প্রমুখ।








