মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বরিশালে ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

ব্যুরো চীফ, বরিশাল

বরিশাল নগরীতে স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের আন্দোলন থেকে ধরে নিয়ে মারধর ও শ্লীলতাহানিসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, ৮ সেপ্টেম্বর শেষ কার্যদিবসে দায়ের করা মামলায় বিচারক মীর মো. এমতাজুল হক এই নির্দেশ দেন।

এজাহারের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, মামলার আসামিরা হলেন—কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান, মহানগর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সগীর হোসেন, কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নাসিম এবং কনস্টেবল বিশ্বজিৎ। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদী নগরীর সিএন্ডবি পোল এলাকার পেশকার বাড়ির মসজিদ গলির বাসিন্দা তাসমিন ইয়াসমিন এজাহারে উল্লেখ করেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দালাল ও সিন্ডিকেট ভাঙাসহ স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ আগস্ট বাদিসহ স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনকারীরা নগরীর ফজলুল হক অ্যাভিনিউ সড়কের নগর ভবনের সামনে জড়ো হন। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে বাদিসহ কয়েকজনকে আটক করে। পরে মহানগর পুলিশ কমিশনার কার্যালয় সংলগ্ন ওয়াপদা কলোনিতে নিয়ে গিয়ে বাদিকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করে।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মারধর, শ্লীলতাহানি ছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের আওতায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে অসদাচরণ ও অপরাধ সংগঠন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিবির পরিদর্শক সগীর হোসেন বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হোসাইন আল সুহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ সময় ওই নারীসহ ৫/৬ জন জোরপূর্বক পুলিশ পিকআপে ওঠেন। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। পরে তারা স্বেচ্ছায় চলে গেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ