ব্যুরো চীফ, বরিশাল
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঝূঁকিপূর্ন ব্রিজ রক্ষায় স্পীডব্রেকার (গতিরোধক) নির্মান করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এরমধ্যে মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার কাসেমাবাদ লালপুল ব্রিজের দুইপাশে স্পীডব্রেকার নির্মান করা হয় শনিবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে।
স্পীডব্রেকার নির্মানের পরপরই ওইদিন ছোট-বড় তিনটি দূর্ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দূর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কাসেমাবাদ লালপুল এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শনিবার ভোরে বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে ব্রিজের দুইপাশে উঁচু করে স্পীডব্রেকার নির্মান করা হয়। তবে স্পীডব্রেকারে কোন সর্তকতা মূলক চিহ্ন (রং) দেয়া হয়নি।
যেকারনে ওইদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুইটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান যাত্রীসহ দূর্ঘটনার কবলে পরে। এরমধ্যে দূর্ঘটনার শিকার আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোটরসাইকেল চালক মনির হাওলাদারকে গুরুত্বর অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিন মিয়া বলেন, ঢাকা থেকে আগত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ও কাসেমাবাদ এলাকার দুইটি ঝূঁকিপূর্ন ব্রিজের দুই পাশে ব্রিজ রক্ষায় স্পীডব্রেকার নির্মান করা হয়েছে। আজ রবিবারের (২৬ অক্টোবর) মধ্যেই স্পীডব্রেকারে সতর্কতামূলক রং করে দেয়া হবে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. আমিনুর রহমান জানিয়েছেন, দূর্ঘটনার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি সড়ক ও জনপদ বিভাগকে অবহিত করে দূর্ঘটনারোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।








