ব্যুরো চীফ, বরিশাল
মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহেল মাঝি নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশালের উজিরপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম।
ওসি জানিয়েছেন—মৃতের স্বজনরা তাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত সোহেল মাঝি মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে মৃত্যুবরণ করেছেন।
মৃত সোহেল মাঝি (৫০) উজিরপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হানুয়া এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সোবহান মাঝির ছেলে।
মৃত সোহেলের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন—মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় গত ১১ নভেম্বর সকালে একই এলাকার চিহ্নিত মাদক সেবী পলাশ মাঝির নেতৃত্বে তার সহযোগী রাজু হাওলাদার, রাব্বি মাঝি, শাহাদাত হাওলাদার, রবিউল ইসলাম, সাফিক হাওলাদার, জয়নাল হাওলাদারসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জন সোহেল মাঝিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোহেল মাঝিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার সকালে সোহেল মাঝি মৃত্যুবরণ করেন।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম বলেন—হামলার ঘটনায় সোহেল মাঝির স্ত্রী মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে উল্লেখিত হামলাকারীদের আসামি করে গত ১২ নভেম্বর বরিশাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আদালতের নির্দেশে আসামিদের গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন—ওই মামলায় কারাগারে থাকা আসামিরা ১৭ নভেম্বর জামিনে জেল থেকে বের হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস সালাম বলেন—পূর্বে দায়ের করা মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হবে।
ওসি আরও জানিয়েছেন—আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
অপরদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সোহেল মাঝির মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার (সোহেল) স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এলাকাবাসী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।








