বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে : টিপু

ব্যুরো চীফ, বরিশাল

বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও বরিশাল-২ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেছেন—সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সমঅধিকার নিশ্চিত করা হবে।

এসব দফা বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে জাতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। এতে কোনো রাজনৈতিক বৈষম্য থাকবে না।

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মীদের সঙ্গে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পতিত স্বৈরশাসক দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে যেভাবে ধ্বংস করেছে, তা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মো. মনিরুজ্জামান লিখন, আব্দুল হালিম, মো. আব্দুস ছালাম হাওলাদার, শফিকুল ইসলাম খান লিমন, জালিস সরদার, কাজী মাহবুব ধলু, তাওহীদ বিন লাবিদ, আহসান মিয়া জুয়েল, মো. খোকন ডাকুয়া প্রমুখ।

বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে সারাদেশে প্রচারাভিযান চালাচ্ছে দলটি। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে এ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এর আগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করে প্রচারাভিযানের জন্য সারাদেশের নেতাকর্মীদের পারদর্শী করে তোলার উদ্যোগ নেয় দলটি।

৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন, সম্প্রীতিমূলক ‘রেইনবো নেশন’ (সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা) প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় সমন্বয় কমিশন গঠন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময়সীমা নির্ধারণ, সংস্কার প্রস্তাবে আইনসভায় উচ্চকক্ষের প্রবর্তন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি সংশোধন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ