শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জনদুর্ভোগ কমাতে তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করলো লাবীব গ্রুপ

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 

লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দানবীর সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের উদ্যোগে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া–আড়াইপাড়া সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।

আজ (৫ অক্টোবর) রবিবার সকাল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই খানাখন্দে ভরা সড়কটি সংস্কারের কাজ চলছে।

জানা যায়, বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি ভেঙেচুরে শত শত গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভারী যানবাহনসহ হাজার হাজার গাড়ি প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। ফলে সড়কটি যানবাহন ও জনগণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এই সড়কের দুরবস্থার চিত্র লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেন।

কালিয়াপাড়া ডাকাতিয়া মাজেদা মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইয়াসিন আলী বলেন,
“দীর্ঘদিন যাবত এ সড়কের বেহাল দশা চলমান ছিল। জনদুর্ভোগ নিরসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল এগিয়ে এসেছেন। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”

স্থানীয় এলাকাবাসী ও ঢাবি শিক্ষার্থী বজলুর রহমান বিজয় বলেন,
“কচুয়া–আড়াইপাড়া সড়কের দুরবস্থার বিষয়টি লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যানের নজরে আসার পর তিনি দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন। এতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।”

কালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন,
“এই রাস্তায় একবার যাতায়াত করলে কাপড়চোপড় ময়লা পানিতে ভিজে যেত। এখন রাস্তা সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসী খুবই খুশি।”

ট্রাকচালক শাহজাহান মিয়া বলেন,
“আগে এই রাস্তায় গাড়ি আটকে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন রাস্তা সংস্কার হওয়ায় আমরা দ্রুত পণ্য বাজারজাত করতে পারবো।”

অটোচালক মোবারক হোসেন বলেন,
“এ রাস্তায় চলাচল করা ছিল খুব কষ্টকর। মাঝেমধ্যে যাত্রী নামিয়ে লোকজন দিয়ে গাড়ি ধাক্কা দিয়ে পার করতে হতো। রাসেল সাহেব আমাদের রাস্তা করে দিচ্ছেন—আমরা সবাই তাঁর জন্য দোয়া করি।”

লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান দানবীর সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল বলেন,
“কচুয়া–আড়াইপাড়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জনদুর্ভোগের কারণ ছিল। ঐ এলাকার মানুষের কষ্ট আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগেই সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। সমাজের মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকেই মূলত কাজটি করেছি।

লক্ষ্য একটাই—সখীপুরের মানুষ যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন। সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত সখীপুর গড়তে শুধু আমার একার চেষ্টা যথেষ্ট নয়; সবাইকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে। পজিটিভ মানসিকতা নিয়ে সবাই এক হলে এটা কোনো কঠিন কাজ নয় বলে আমি মনে করি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ