,

ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার দাবি টাংগাইল সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতির

মাহবুবুর রহমান ডিপটি।। স্টাফ রিপোর্টার:

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার দাবি করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি এ দাবি জানান।

আজগর আলী বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দলের সাবেক অধিনায়ক, আন্তর্জাতিক কাবাডি রেফারি, সৌখিন মৎস্য শিকারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিকভাবেও তিনি মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়ে তিন মাসেরও বেশি সময় কারাভোগ করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে শতাব্দী ক্লাবের সদস্যপদে থাকার সুবাদে চাঁদা দেওয়ার জন্য সেখানে গেলে যৌথবাহিনীর কিছু সদস্য বিনা কারণে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি এ ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল হক খান নিক্সন, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাদল, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ওমর ফারুকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, যৌথবাহিনীর অভিযানের প্রতিবাদে শতাব্দী ক্লাব, নর্থ সাউথ ক্লাব ও ভিক্টোরিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকেও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। নর্থ সাউথ ক্লাবের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু লিখিত বক্তব্যে বলেন, শহরে আরও ক্লাব থাকলেও কেবল এই তিনটি ক্লাবে অভিযান চালানো হয়েছে, যা ষড়যন্ত্রমূলক।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডের শতাব্দী ক্লাবে জুয়া খেলার সময় আজগর আলীসহ ৩৪ জনকে আটক করে যৌথবাহিনী। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৪৯ হাজার ৪১০ টাকা, জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও দুইটি খালি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে পাঠানো হলে বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এই বিভাগের আরও সংবাদ >

সর্বশেষঃ