ব্যুরো চীফ, খুলনা
খুলনা, বরিশাল, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ নসিমন, করিমন, ইজিবাইক, মাহিন্দ্রাসহ সব ধরনের অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে তিন সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছে বাস-মিনিবাস ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি। এই সময়ের মধ্যে দাবি না মানা হলে আগামী ৬ অক্টোবর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৫ জেলার ৭টি বাস মালিক সমিতির আওতাধীন ৫০টি রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে তারা।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনার রূপসা বাস-মিনিবাস ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সমিতির সভাপতি মোল্লা আনোয়ারুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন শেখ, নির্বাহী সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান, কার্যকরী সভাপতি মো. মূর্শিদুর রহমান (লিটন), সিনিয়র সহসভাপতি বিকাশ মিত্র, সহসভাপতি মো. মিঠু মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, উপ-সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম (তারেক), কোষাধ্যক্ষ মো. রকিব উদ্দিন (রশিদ), দপ্তর সম্পাদক মো. তৌহিদ উদ্দিন শেখ, লাইন সম্পাদক মো. জান্নাতুন নাঈম, মো. সেলিম মুন্সি, মো. সাকির চৌধুরী, মো. গহর আলী, মো. আশরাফ উজ্জ জামান শাহিন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মালিক-শ্রমিকরা বৈষম্য ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়ে আসছেন। বিশেষ করে সরকার অনুমোদন ছাড়াই বিআরটিসি নামধারী গাড়ি লাগামহীনভাবে সড়কে চলছে। পুরনো নিলামকৃত গাড়ি সামান্য মেরামত করে বিআরটিসির নাম ব্যবহার করে রাস্তায় চালানো হচ্ছে, যা আইনবিরোধী। স্থানীয় ডিপো ম্যানেজারদের সঙ্গে যোগসাজশে একটি মহল এই অনৈতিক কাজ করছে।
এছাড়া অবৈধ ইজিবাইক, মাহিন্দ্রা, নসিমন, করিমন ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানও যাত্রী পরিবহন করছে। এসব গাড়ির চালকদের কোনো লাইসেন্স বা অভিজ্ঞতা নেই। ইচ্ছেমতো গাড়ি চালানোর কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। হাইকোর্ট কর্তৃক খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ১০ জেলায় অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হলেও তা কার্যকর হচ্ছে না।
সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে তারা প্রতিকার চান। দাবি আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার পর ৬ অক্টোবর থেকে ৫ জেলার ৭টি বাস মালিক সমিতি প্রায় ৫০টি রুটে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।








