দিব্যতনু দাস, বাগেরহাট
বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। সমাবেশ থেকে আগামীকাল বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ও বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) একটানা ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কের দশানী ট্রাফিক মোড়ে সর্বদলীয় এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে পরিণত হয়।
মিছিল ও সমাবেশে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, এনসিপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকেও সংহতি জানাতে দেখা গেছে।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর আলম, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম, জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল ওয়াদুদ, সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস, মঞ্জুরুল হক রাহাত, বিএনপি নেতা শাহেদ আলী রবি ও সৈয়দ নাসির উদ্দিন মালেক প্রমুখ।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন, “নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমিয়ে উপকূলীয় এ জেলার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করেছে। বাগেরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এখানকার ভৌগোলিক অবস্থা, জনসংখ্যা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় চারটি আসন বহাল রাখা প্রয়োজন। একটি আসন কমে গেলে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, চাকরি ও সরকারি সেবায় বাগেরহাটবাসী বঞ্চিত হবে।”
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, “বাগেরহাটবাসীর স্বার্থরক্ষার এ আন্দোলন কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, এটি জনস্বার্থের আন্দোলন। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে আসন পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখতে হবে।”








