কাউছার পারভেজ শাকিল, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং (টিটি) কলেজের প্রধান সহকারী শেখ মোহাম্মদ সুরুজ জামানকে গত ১৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক অফিস আদেশে বদলি করা হয়। এ আদেশ ঘিরে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
বদলি আদেশ বাতিলের দাবিতে টানা আট দিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। এতে একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রশাসনিক কাজও স্থবির হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাউশির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে অভিজ্ঞ ও শিক্ষার্থী-বন্ধব একজন কর্মচারীকে অযৌক্তিকভাবে বদলি করা হয়েছে। তারা অবিলম্বে এ আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী তৌকির তরফদার বলেন, “আমাদের সুরুজ জামান ভাইকে অবৈধভাবে বদলি করা হয়েছে। আমরা চাই এই আদেশ বাতিল হোক।”
আরেক শিক্ষার্থী ওয়ালিদ আহমেদ মুনির বলেন, “টাকার বিনিময়ে বদলি বাণিজ্য আবারও শুরু হয়েছে। আমরা চাই এই সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হোক।”
অন্য শিক্ষার্থী আবু রায়হান পলাশ বলেন, “যাকে বদলি করে এখানে আনা হয়েছে, তাকে কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. জয়নুল আবেদীন খান বলেন, “বদলির বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করি দ্রুত একটি সুষ্ঠু সমাধান হবে।”
বদলি হওয়া প্রধান সহকারী শেখ মোহাম্মদ সুরুজ জামান বলেন, “কেন বা কী কারণে আমাকে মূল পদ থেকে ডিমোশন দিয়ে বদলি করা হলো, আমি জানি না। আমি কোনো অনিয়ম করিনি। এ আদেশে আমি মর্মাহত।”
মাউশির ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর এ.কে.এম আলিফ উল্লাহ আহসান বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও কলেজের পরিস্থিতি মহাপরিচালককে জানিয়েছি। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”
এর আগে ১৭ আগস্ট থেকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান ও ক্লাস বর্জনের মধ্য দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।








