জাহিদুল ইসলাম, দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুর্গাপুরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৫ আগস্ট জুমার নামাজের পর দুপুর ২টায় সিংগা বাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজিত এ মাহফিলে বিএনপি নেতা মুক্তাদির হোসেন মন্টুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. ইসফা খাইরুল হক শিমুল।
দেশনেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে ইসফা খাইরুল হক শিমুল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি কারাবন্দী থেকেও জনগণের জন্য লড়াই চালিয়ে গেছেন, যা রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল উদাহরণ।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য সাইদুর রহমান মন্টু, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আয়নাল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হোসেন আলি শাহ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এ এফ এম সাঈদ তোতা, বিএনপি নেতা জর্জিস হোসেন সোহেল, উপজেলা বিএনপির সদস্য মমিনুল হক ও খবির উদ্দিন আহমেদ, দুর্গাপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, ৩নং পানানগর ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান ও সদস্য সচিব মুহায়মেনুল হক রেন্টু, পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোয়াদ আলীসহ উপজেলা বিএনপির সব অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বাবা এস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা মজুমদার। পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজীতে হলেও তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন। প্রথমে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১—এই তিন দফায় বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপি ১৫ আগস্ট দিনটি তার জন্মবার্ষিকী হিসেবে পালন করে থাকে।
উপস্থিত নেতাকর্মী ও মুসল্লিরা মোনাজাতে অংশ নেন। বিশেষ দোয়ায় দেশনেত্রীর রোগমুক্তি, কল্যাণ এবং জাতির সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবার মাঝে খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।








