আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নিষিদ্ধ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ব্যাপারে উদ্বেগজনক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে ডাচ এবং জার্মান গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের দাবি, রাশিয়া এমন এক রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে যা ড্রোন থেকে ফেলে সেনাদের শ্বাসরোধ করে পরিখা থেকে বের করে আনা হয়, যাতে সহজেই তাদের লক্ষ্য করে গুলি করা যায়।
শুক্রবার (৪ জুলাই) এই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ প্রসঙ্গে ডাচ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুবেন ব্রেকেলম্যানস বলেন,
“এই তীব্রতা উদ্বেগজনক। কারণ এটি এমন একটি প্রবণতার অংশ যা আমরা বেশ কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করছি, যেখানে এই যুদ্ধে রাশিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার আরো স্বাভাবিক, মানসম্মত এবং ব্যাপক হয়ে উঠছে।”
জার্মানির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ডাচ প্রতিপক্ষদের সঙ্গে মিলে এই প্রমাণ পেয়েছে এবং এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ডাচ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এমআইভিডি প্রধান পিটার রিসিঙ্ক বলেন,
“এই সিদ্ধান্তগুলো আমাদের নিজস্ব স্বাধীন গোয়েন্দা তথ্য অনুসরণ করে, তাই আমরা আমাদের নিজস্ব তদন্তের ভিত্তিতে এটি নিজেরাই পর্যবেক্ষণ করেছি।”
উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসেই জার্মানি প্রথমবারের মতো ইউক্রেন যুদ্ধে ক্লোরোপিক্রিন নামক রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ তোলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের সময় রাশিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের হাজার হাজার ঘটনা তারা নথিভুক্ত করেছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে উল্টো ইউক্রেনকেই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য দায়ী করেছে।








